চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ১০টি জাহাজ পৌঁছেছে, যাতে প্রায় পৌনে ৪ লাখ টন তেল ও গ্যাস রয়েছে। এই জাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসেছে।
এই জাহাজগুলোর মধ্যে চারটিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রয়েছে। বাকি চারটি জাহাজে ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য নিয়ে আসা হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে। এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসব জাহাজের আগমন বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি স্বস্তির বিষয় হয়ে উঠেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে পৌঁছেছে। আরও দুটি জাহাজ ‘লুসাইল’ এবং ‘আল গালায়েল’ আগামী কয়েকদিনে পৌঁছানোর কথা।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।