প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী প্রদানের পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে কেবল উপাসনার স্থান নয়, বরং ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষার মূল কেন্দ্রে পরিণত করতে চান। তিনি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় গুরুকে মাসিক সম্মানী প্রদান করা হবে। ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমদের জন্য মসজিদে মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় বছরে দুবার ১ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং ১৪ এপ্রিল থেকে ফার্মার্স কার্ড ও ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় নেতারা যদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে চান, তবে সরকার তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করবে।